নইন আবু নাঈম তালুকদার শরণখোলা থেকেঃ
কিছু দিন আগে ও ওভারলোডের কারণে বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জের পানগুছি নদীর ফেরিঘাটে ফেরিতে উঠার সময় ওভারলোড হওয়ার কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেরির ভেরিগেট ভেঙে ড্রাইভার কেবিন সহ অর্ধেক নদীতে আর অর্ধেক ফেরির উপরে থেকে যায় বড় একটি দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে যায়।
বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সড়কে আইন অমান্য করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ৬ চাকার ইট ধান, কাঠ ও গাছ বোঝাই ওভারলোড গাছের ট্রাক। এতে ভার নিতে না পেরে সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরে কমছে স্থায়ীত্ব। সরকারি সম্পদের ক্ষতি দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও, প্রতিরোধে প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে।
ধারণ ক্ষমতা ২০ থেকে ২৫ টন থাকলেও অতিরিক্ত ওজনের ৪০ থেকে ৫০ টন লোডের কাঠ ও গাছ বহনকারী ট্রাক চলছে সড়কে।
সড়কগুলো ট্রাক বোজাই ধারণক্ষমতার অধিক ভারি ট্রাক নিয়মিত চলাচলের কারণে সড়কগুলো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এবং নিয়মিত চলাচল করে তিন চাকার নসিমন ও গিয়ারসহ ৫ চাকার নসিমন গুলো।
স্থানীয়রা জানান, শরনখোলা উপজেলার ৩নং রায়েন্দা ৪ নং সাউথখালী ইউনিয়নের শরণখোলা বাজার মোল্লার মোড় সহ সোনাতলা থেকে প্রতিদিন কাঠ ও গাছ নিয়ে বিভিন্ন গন্তব্যে যাচ্ছে ৬ চাকার ট্রাকগুলো। এসব ট্রাকে করে ৪০ থেকে ৫০ টন কাঠ বা গাছ বহন করা হচ্ছে। এসব যানের চাকার আঘাতে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন নির্মিত সড়কগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এসব যানবাহনের বিরুদ্ধে কোনো আইন প্রয়োগ হচ্ছে না। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি গাড়িতে গাছের ওজন পরিমাণ উল্লেখ করার কথা থাকলেও, তা করা হচ্ছে না। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৪ নং সাউথখালী ইউনিয়ন এ ৩নংরায়েন্দা ইউনিয়ন সহ মোড়েলগঞ্জ ইউনিয়নের এলাকার সড়কে কয়েকটি জায়গায় দেবে গেছে এবং সড়কে ফাটল দেখা দিয়েছে।
এভাবে চলতে থাকলে সড়কের অনেকাংশ ফেটে ভেঙে চৌচির হয়ে যাবে। এতে ভোগান্তিতে পড়বে ছোট ছোট যানবাহন ও যাত্রী সাধারণ। জনগুরুত্বপূর্ণ শরণখোলার সুন্দরবন দেখতে ও আলী বান্দা ট্যুরিজম ইকো পার্কে ঘুরতে যাওয়ার জন্য দূর দূরান্ত থেকে আসে এই উপজেলায় টুরিস্টরা।
নিয়মিত গাছ বোঝাই ওভারলোড় ট্রাক চলাচল করলে শরণখোলায় আসা দূর দূরান্ত থেকে টুরিস্ট রাস্তা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার কারণে কমে যাবে দূর দুরন্ত থেকে আসা টুরিস্টের সংখ্যা।
স্থানীয় জনগণ বাগেরহাট জেলা প্রশাসক ও উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন। সুন্দরবন সংলগ্ন এসব এলাকার জনগণ বাগেরহাট খুলনা ও ঢাকা যাওয়ার একটাই মহাসড়ক এভাবে প্রতিনিয়ত ওভারলোড ট্রাক যাতায়াত করলে সড়কের ব্যয়বহুল ক্ষতি হবে, পরবর্তীতে ভোগান্তিতে পড়বে ২ উপজেলার লক্ষাদিক জনসাধারণ।